বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ও সিলেট-১ আসনের প্রার্থী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বুধবার নাছিম হোসেইন এবং রেজাউল হাসান কয়েস লোদীকে নিয়ে আলোচনায় বসেন। দলটির নিয়মিত বৈঠকে তিনি জানান ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবেই কয়েস লোদী দায়িত্বে থাকবেন। এ বিষয়ে নাছিম হোসেইন বলেন, দুইটি আলাদা চিঠি ঘিরে তৃণমূলে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছিল।
তিনি জানান, তাকে সভাপতির দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি, পাশাপাশি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার কারণে বিষয়টি কেন্দ্রের সঙ্গে আলোচনারও সুযোগ হয়নি। তাই কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত কয়েস লোদীই ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন। ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী বলেন, ভুলবশত নাছিম হোসেইনের নাম যুক্ত হওয়ায় কিছুটা বিভ্রান্তি হয়েছিল, যা ২৭ নভেম্বরের বিজ্ঞপ্তিতে সংশোধন করা হয়েছে। তিনি জানান, সভাপতি নিয়ে কেন্দ্র কোনো নতুন সিদ্ধান্ত দেয়নি এবং তাকে ভারপ্রাপ্ত পদ থেকেও অব্যাহতি দেওয়া হয়নি। সংকটময় পরিস্থিতিতে বিভ্রান্তি না ছড়ানোর আহŸান জানান তিনি। খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। প্রসঙ্গত, ২৬ ও ২৭ নভেম্বর দুটি ভিন্ন বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হওয়ায় মহানগর বিএনপির সভাপতি পদ নিয়ে তৃণমূলে বিভ্রান্তি দেখা দেয়। প্রথম বিজ্ঞপ্তিতে নাছিম হোসেইনের স্থগিতাদেশ প্রত্যাহারের কথা উল্লেখ থাকলেও পরদিন প্রকাশিত নতুন বিজ্ঞপ্তিতে সেটিকে ভুল হিসেবে স্পষ্ট করা হয়। ২০২৪ সালের ৪ নভেম্বর ঘোষিত পূর্ণাঙ্গ কমিটিতেই রেজাউল হাসান কয়েস লোদীকে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি করা হয়েছিল। কেন্দ্রীয় সূত্রও জানায়Ñপূর্ণাঙ্গ কমিটির সেই সিদ্ধান্তই বহাল রয়েছে।
আইটি ল্যাব সলিউশন্স লি.