গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি- নাইম মিয়া উরফে আব্দুর রাহিম (৪২)। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সদর থানার বিরামপুর এলাকার মৃত আব্দুল আজিজের ছেলে।
ঘটনার বিবরণ উল্লেখ করে র্যাব জানায়, ভিকটিম নাসির উদ্দিন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানাধীন বিরামপুর এলাকার বাসিন্দা। ভিকটিমের পরিবারের সঙ্গে প্রতিবেশী ছয় ভাইয়ের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ ও মামলা চলছিল। ছয় ভাইয়ের মধ্যে চার ভাই একপক্ষে এবং দুই ভাই অন্যপক্ষে বিভক্ত ছিল। গত ২৪/১০/২০২৫ তারিখ তাদের মা মৃত্যুবরণ করলে চার ভাইয়ের পক্ষ অন্য দুই ভাইকে লাশ না দেখিয়ে জোরপূর্বক জানাজা ও দাফন সম্পন্ন করে। এ ঘটনায় দুই ভাই প্রতিবাদ করলে বিরোধ চরমে পৌঁছে। এরই জের ধরে ২৫/১০/২০২৫ তারিখ সকালে বিবাদীরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে রামদা, লাঠি, লোহার রড, শাবল, ককটেলসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে বাদী পক্ষের বাড়িতে হামলা চালায়। হামলার একপর্যায়ে ভিকটিম নাসির উদ্দিনকে এলোপাতাড়ি আঘাত করলে তিনি ঘটনাস্থলেই মৃত্যুবরণ করেন। এ ঘটনায় ভিকটিমের স্ত্রী বাদী হয়ে সদর মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলার পর আসামিদের গ্রেফতারে র্যাব ছায়া তদন্ত শুরু করে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-৯, সিপিসি-১, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ১৪ ডিসেম্বর দিবাগত রাত আনুমানিক ১২টা ১৫ মিনিটে বিরামপুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সদর মডেল থানার মামলা নং-০১, তারিখ-০১/১১/২৫, ধারা-১৪৩/১৪৭/১৪৮/১৪৯/ ৪৪৭/৩৪২/৩২৩/৩২৪/৩২৫/ ৩২৬/৩০৭/৩০২/৪৩৬/৫০৬/১১৪/৩৪ পেনাল কোড; তৎসহ ৩/৬ The Explosive substances Act, ১৯০৮ মূলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সদর মডেল থানার নাসির উদ্দিন হত্যা মামলার এজাহারনামীয় ৫ নম্বর পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করা হয়। উল্লেখ্য যে, গত ০৯/১২/২০২৫ ইং তারিখে র্যাব-৯ উক্ত মামলার ১ জন আসামিকে গ্রেফতার করেছিল।
র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-৯) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া ) কে এম শহিদুল ইসলাম সোহাগ জানান, ‘পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে গ্রেফতারকৃত আসামিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সদর মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এছাড়াও দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে উক্ত মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতারের লক্ষ্যে র্যাব-৯ এর চলমান গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
আইটি ল্যাব সলিউশন্স লি.