বৃহস্পতিবার বিকেলের দিকে ‘পল্টন আবাসিক হোটেলের’ ৩২৪ নম্বর কক্ষ থেকে তাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পরে সন্ধ্যায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
শহিদুল ইসলাম বাগেরহাট সদরের কচুয়া এলাকার আকবর আলী হাজরার ছেলে। পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, তিনি নির্বাচনী কাজে ঢাকায় এসেছিলেন।
পল্টন থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. নুরুজ্জামান বলেন, আমরা খবর পেয়ে কক্ষের দরজা ভেঙে বাথরুম থেকে তাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করি। পরে দ্রুত ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এই পুলিশ কর্মকর্তা আরও বলেন, আমরা পরিবারের কাছ থেকে জানতে পেরেছি নিহত ব্যক্তির হৃদরোগ ছিল। তিনি আগে দুইবার স্ট্রোকও করেছেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করছি, স্ট্রোকের কারণেই তার মৃত্যু হয়েছে। তবুও মৃত্যুর সঠিক কারণ নির্ণয়ে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেলের মর্গে রাখা হয়েছে। এ বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
নিহতের ভাগনে রাহাতুল ইসলাম শাকিল বলেন, তিনি নির্বাচনী কাজে গতকাল ঢাকায় এসে ওই আবাসিক হোটেলে ওঠেন। সন্ধ্যার দিকে খবর পেয়ে ঢাকা মেডিকেলে এসে মামার মরদেহ শনাক্ত করি।
আইটি ল্যাব সলিউশন্স লি.