নগরের মির্জাজাঙ্গাল এলাকার বাসিন্দা ইমন দাস (২১) সিলেটের মদনমোহন কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী ও জিন্দাবাজার এলাকার বাসিন্দা দীপ্ত দাস (১৭) ইউনিভার্সেল কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্র।
রোববার সকালে ওসমানী মেডিকেল কলেজের সামনে মর্গে কথা হয় দীপ্তর বাবা গৌরাঙ্গ দাসের সঙ্গে। জিন্দাবাজার এলাকায় চা বিক্রি করে গৌরাঙ্গ। তিনি বলেন, রাতে ব্যাডমিন্টন খেলতে যাওয়ার কথা বলে বাসা থেকে বের হয় ইমন ও দীপ্ত। রাতে শেখঘাট পয়েন্টে তারা চা খেয়েছিলো বলে শুনেছি। মধ্যরাতে আমরা দুর্ঘটনার খবর পাই।
মর্গের সামনে থাকা ইমন দীপ্তদের আরেক পিসতুতো ভাই বলেন, ফেসবুকের মাধ্যমে আমরা প্রথম দুর্ঘটনার খবর পাই। ফেসবুকে তাদের ছবি দিয়ে একজন দুর্ঘটনার খবর জানায়। এরপর আমরা হাসপাতালে ছুটে আসি।
তিনি বলেন, হাসপাতালে আনার পর দীপ্তকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক। তবে ইমন কিছুক্ষণ বেঁচে ছিলো। কিন্তু রাতেই সে মারা যায়।
তিনি আরও বলেন, আমরা শুনেছি একটি কালো রঙের মাইক্রোবাসের সঙ্গে তাদের মোটর সাইকেলের ধাক্কা লাগে। কিন্তু মোটর সাইকেলে কোন আঘাতের চিহ্ন নেই। তবে তালতলা এলাকার সড়কে রক্ত পড়ে থাকতে দেখেছি।
পোর্স্ট মর্টেম ছাড়া মরদেহ নিয়ে যাওয়ার জন্য পরিবারের পক্ষ থেকে আবেদন করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের তালতলা শাখা জানায়, রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে ওই মোটরসাইকেলটি দুর্ঘটনার শিকার হয়। দুর্ঘটনায় দুই তরুণ ঘটনাস্থলেই গুরুতর আহত হন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। হাসপাতালে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁদের মৃত ঘোষণা করেন।
কোতোয়ালী থানার এসআই খোরশেদ আলম জানান, ঠিক কি কারণে ও কিভাবে সং দুর্ঘটনা ঘটে তা নিশ্চিত হতে পারিনি।
অপরদিকে, ওসমানী হাসপাতালের দায়িত্বরত পুলিশ সদস্য এসআই আলাউদ্দিন জানান, ‘ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা তাদেরকে হাসপাতালে নিয়ে আছে। তবে কিভাবে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে তা এখনো জানতে পারিনি। ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ থেকে তদন্ত করে বিস্তারিত জানা যাবে।
আইটি ল্যাব সলিউশন্স লি.