যুক্তরাষ্ট্রে ভয়ংকর অপরাধে জড়িত সন্দেহে ১০ জন বাংলাদেশিকে গ্রেপ্তার করেছে ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি (ডিএইচএস)। সংস্থাটি তাদের নাম-পরিচয়সহ ছবি প্রকাশ করেছে।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, এক বছরে প্রায় ৪ লাখ অবৈধ অভিবাসীকে আটক করেছে ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই)। এদের মধ্যে প্রায় ৫৬ হাজার ব্যক্তি গুরুতর অপরাধে দণ্ডিত ছিলেন এবং সাজা শেষে কারামুক্ত হয়েছিলেন। শিশু নির্যাতন, ধর্ষণ, যৌন সহিংসতা, মাদক পাচার, প্রতারণা, ক্রেডিট কার্ড জালিয়াতি, সশস্ত্র ডাকাতি ও হামলার মতো বিভিন্ন অপরাধে দোষী বা অভিযুক্তদের এই অভিযানে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ডিএইচএস।
ডিএইচএসের উপ-সহকারী মন্ত্রী লরেন বিস এক বিবৃতিতে বলেন, সাম্প্রতিক অভিযানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী গুরুতর অপরাধে জড়িত হাজার হাজার অবৈধ অভিবাসীকে আটক করেছে। তিনি বলেন, “যারা শিশুদের ওপর নির্যাতন চালায় বা নিরীহ মানুষের ক্ষতি করে, তাদের যুক্তরাষ্ট্রে থাকার কোনো অধিকার নেই। তারা সমাজের জন্য বড় হুমকি।”
গ্রেপ্তার হওয়া ১০ বাংলাদেশির মধ্যে ‘অত্যন্ত বিপজ্জনক’ হিসেবে চিহ্নিত কাজী আবু সাঈদকে ক্যানসাস অঙ্গরাজ্যের ফোর্ট স্কট এলাকা থেকে আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে অপ্রাপ্তবয়স্ককে অসৎ কাজে প্ররোচনা, অবৈধ জুয়া পরিচালনা এবং জুয়া সংক্রান্ত অপরাধের অভিযোগ রয়েছে।
নর্থ ক্যারোলিনার র্যালি শহর থেকে শাহেদ হাসানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে গোপনে অস্ত্র বহন ও দোকান থেকে চুরির অভিযোগ রয়েছে।
নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের বাফেলো শহর থেকে মোহাম্মদ আহমেদকে আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ রয়েছে।
নিউইয়র্ক সিটির কুইন্স এলাকা থেকে এমডি হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যার বিরুদ্ধে যৌন সহিংসতার অভিযোগ রয়েছে।
ভার্জিনিয়ার চ্যান্টিলি শহর থেকে মাহতাবউদ্দিন আহমেদকে আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে গাঁজা ও হ্যালুসিনোজেন জাতীয় মাদক বিক্রির অভিযোগ রয়েছে।
টেক্সাসের মার্লিন শহর থেকে নেওয়াজ খানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যার বিরুদ্ধে বিপজ্জনক মাদক সংক্রান্ত অপরাধের অভিযোগ রয়েছে।
ফ্লোরিডার প্যানসাকোলা এলাকা থেকে শাহরিয়ার আবিরকে চুরির অভিযোগে আটক করা হয়েছে।
মিশিগানের মাউন্ট ক্লেমেন্স থেকে আলমগীর চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে ক্রেডিট কার্ড জালিয়াতির অভিযোগ রয়েছে।
ভার্জিনিয়ার মানাসাস শহর থেকে ইশতিয়াক রাফিকে আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে অস্ত্র সংক্রান্ত অপরাধ ও সিন্থেটিক মাদক রাখার অভিযোগ রয়েছে।
অ্যারিজোনার ফিনিক্স শহর থেকে কনক পারভেজকে প্রতারণার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
আইটি ল্যাব সলিউশন্স লি.