প্রকাশিত: ১২ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:০৮ (রবিবার)
শতভাগ রাজনীতিমুক্ত হবে ‘কৃষক কার্ড’, উদ্বোধন পহেলা বৈশাখে: কৃষিমন্ত্রী

আসন্ন পহেলা বৈশাখে ‘কৃষক কার্ড’ এর মাধ্যমে প্রণোদনার বার্ষিক আড়াই হাজার টাকা পাচ্ছেন ২০ হাজার ৬৭১ জন কৃষক। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান টাঙ্গাইলে এই কর্মসূচির উদ্ধোধন করবেন। এটি শতভাগ রাজনীতিমুক্ত হবে।

রোববার (১২ এপ্রিল) দুপুরে সচিবালয়ে পিআইডি মিলনায়তনে কৃষি মন্ত্রণালয় আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ এসব কথা জানান।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, এর মাধ্যমে ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকেরা ১০ ধরনের সুবিধা পাবেন। অতীতে যা হয়েছে, তা হবে না। নানা দল মত আছে, কৃষক কার্ড দলের ঊর্ধ্বে থাকবে।

তিনি আরো বলেন, জ্বালানির সংকট বিশ্বব্যাপী সমস্যা। স্যালো টিউবওয়েলের জ্বালানি সমস্যর সমাধান হয়েছে। ট্রাক্টরের জন্য তেল প্রয়োজন, এই সমস্যাও সমাধান হয়েছে। এর ফলে কৃষকের সেচ কাজের জন্য জ্বালানির কোনো সমস্যা হবে না। এই কার্ডের মাধ্যমে অপচয় কমবে।

মন্ত্রী বলেন, কৃষক কার্ডের কারণে চাহিদার সাঙ্গে উৎপাদনের মিল থাকবে। তাই কৃষকরা ন্যায্যমূল্য পাবেন। ২ কোটি ২৭ লাখ কৃষক পর্যায়ক্রমে চার বছরে কৃষক কার্ড পাবেন। ১০ হাজার টাকা করে কৃষিঋণ মওকুফ হয়েছে সব ধরনের কৃষকের। কৃষক কার্ডে কোনো ভেদাভেদ থাকবে না। রাজনৈতিক বা নারী পুরুষ, কার্ড পাওয়ার যোগ্যরা এই সুবিধা পাবেন।

তিনি আরো বলেন, পহেলা বৈশাখে সারাদেশের ১০ জেলার ১১ উপজেলায় কৃষক কার্ড দেওয়া হবে। প্রাক পাইলটিং এই কার্যক্রমের জন্য ব্যয় হবে ৮ কোটি ৩৪ লাখ টাকা। আগামী চার বছরে পর্যায়ক্রমে ১ কোটি ৬৫ লাখ কৃষক এই কার্ড পাবেন। এর মাধ্যমে কৃষকেরা ন্যায্যমূল্যে সার-বীজ ও কৃষি উপকরণ পাবেন।

মন্ত্রী বলেন, সরকারি ভর্তুকি, প্রণোদনা, ন্যায্যমূল্যে সেচসুবিধা, সহজ শর্তে কৃষিঋণও কার্ডের আওতায় থাকছে। কৃষক কার্ডধারীরা কৃষিবিমা সুবিধা, ন্যায্যমূল্যে কৃষি উৎপাদন বিক্রয়ের সুবিধা, কৃষিবিষয়ক প্রশিক্ষণ, আবহাওয়ার পূর্বাভাস ও রোগবালাই দমনে পরামর্শ গ্রহণের সুবিধা পাবেন