প্রকাশিত: ২১ জুন, ২০২৬ ২১:৩৯ (সোমবার)
জাহের আলভীর ১০ দিনের রিমান্ড চেয়েছে ডিবি

স্ত্রী আফরা ইভনাথ ইকরার আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় অভিনেতা জাহের আলভীর ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেছে পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)।

আজ রোববার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের মিরপুর জোনাল টিমের পরিদর্শক (ইন্সপেক্টর) আব্দুল মালেক এ আবেদন করেন। পরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দীন আসামির উপস্থিতিতে শুনানির জন্য ২৪ জুন দিন ধার্য করেন।

রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, ইকরাকে উদ্দেশ্য করে জাহের আলভী অপমানজনক ও উস্কানিমূলক বিভিন্ন ধরনের বক্তব্য তার ফেসবুক পোস্টে প্রকাশ করতেন। আসামি বিবাহিত হওয়া সত্ত্বেও গত ২৭ ফেব্রুয়ারি অন্য এক নারীর সঙ্গে ছবি সংযুক্ত করে উস্কানিমূলক মন্তব্যসহ ফেসবুকে পোস্ট করেন। মামলার মূল রহস্য উদ্ঘাটন, অন্যান্য পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তার, শনাক্তকরণ এবং আসামির স্থায়ী ঠিকানা যাচাইয়ের জন্য ১০ দিনের পুলিশ রিমান্ড প্রয়োজন।

এর আগে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) দুপুরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দিনের আদালতে আত্মসমর্পণ করে আইনজীবীদের মাধ্যমে জামিন আবেদন করেন আলভী। আদালত শুনানি শেষে দুপুর আড়াইটার দিকে আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি দুপুরে রাজধানীর মিরপুর ডিওএইচএস এলাকার একটি বাসা থেকে ইকরার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। সে সময় ইকরার স্বামী অভিনেতা জাহের আলভী ছিলেন নেপালে। স্ত্রীর মৃত্যু খবরা জানিয়ে অভিনেতা লিখেছিলেন ‘আজ দুপুরে মিরপুর ডিওএইচএস-এর বাসায় আমার স্ত্রী ইকরা আত্মহত্যা করেছে। আমি নেপালে শুটিংরত ছিলাম ।খবরটা শোনার পর থেকে কথা বলার মতো অবস্থায় নেই। আমি বুঝতে পারছি না আমাদের সন্তান আর আমার কথা না ভেবে সে কেন এভাবে চলে গেল।’

এ ঘটনায় ১ মার্চ আলভীকে প্রধান আসামি করে একটি মামলা করেন নিহত ইকরার বাবা। মেয়েকে প্ররোচিত করে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেওয়ার অভিযোগ এনেছেন তিনি। মামলায় আলভীর মা এবং পরকীয়া প্রেমিকা তিথিকেও আসামি করা হয়।

২০১০ সালের ৯ নভেম্বর ভালোবেসে বিয়ে করেছিলেন অভিনেতা আলভী ও ইকরা। দীর্ঘ ১৪ বছর গোপন থাকার পর ২০২৪ সালে তাঁদের বিয়ের বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। তাঁদের সংসারে একটি পুত্রসন্তান রয়েছে।