হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাদের গাড়িবহরে হামলার মামলায় জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শাহ রাজিব আহমেদ রিংগনসহ ১১ আসামি জামিন পেয়েছেন।
রোববার (২ আগস্ট) হবিগঞ্জের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আবদুল মান্নানের আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন তারা।
শুনানি শেষে আদালত তাদের অস্থায়ী জামিন মঞ্জুর করেন।
আসামিপক্ষের আইনজীবী কুতুবউদ্দিন জুয়েল বলেন, ছাত্রদলের নেতারা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন।
আদালত তাদের সবাইকে অস্থায়ী জামিন দিয়েছেন।
জামিন পাওয়া অন্যরা হলেন- বৃন্দাবন সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আশরাফুজ্জামান রিয়াজ, জেলা ছাত্রদলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আসিফুল ইসলাম, মোজাক্কির হোসেন ইমন, এমএইচ নশিমুল, আল সাইমন, মাহফুজ চৌধুরী, ইশতিয়াক রহমান, শেখ সাব্বির, নাজমুল হোসেন ও রক্সি ইসলাম।
গত ২৮ জুলাই সন্ধ্যায় হবিগঞ্জ শহরের টাউন হলের সামনে পথসভা শেষে সার্কিট হাউসে ফেরার পথে সারজিস আলম, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীসহ এনসিপির নেতাদের গাড়িবহরে হামলা হয়। তারা সোনালী ব্যাংকের প্রধান শাখায় আশ্রয় নিলে পুলিশ তাদের উদ্ধার করে।
এ ঘটনায় এনসিপির পক্ষ থেকে ১১ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতপরিচয় আরও ১০০ জনকে আসামি করে মামলা করা হয়।
অন্যদিকে একই ঘটনায় এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক সারজিস আলম ও নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে ছাত্রদলের পক্ষ থেকে পাল্টা মামলার আবেদন করা হয়েছে। তবে শনিবার পর্যন্ত সেটি মামলা হিসেবে রেকর্ড হয়নি।
হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাদের গাড়িবহরে হামলার মামলায় জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শাহ রাজিব আহমেদ রিংগনসহ ১১ আসামি জামিন পেয়েছেন।
রোববার (২ আগস্ট) হবিগঞ্জের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আবদুল মান্নানের আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন তারা।
শুনানি শেষে আদালত তাদের অস্থায়ী জামিন মঞ্জুর করেন।
আসামিপক্ষের আইনজীবী কুতুবউদ্দিন জুয়েল বলেন, ছাত্রদলের নেতারা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন।
আদালত তাদের সবাইকে অস্থায়ী জামিন দিয়েছেন।
জামিন পাওয়া অন্যরা হলেন- বৃন্দাবন সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আশরাফুজ্জামান রিয়াজ, জেলা ছাত্রদলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আসিফুল ইসলাম, মোজাক্কির হোসেন ইমন, এমএইচ নশিমুল, আল সাইমন, মাহফুজ চৌধুরী, ইশতিয়াক রহমান, শেখ সাব্বির, নাজমুল হোসেন ও রক্সি ইসলাম।
গত ২৮ জুলাই সন্ধ্যায় হবিগঞ্জ শহরের টাউন হলের সামনে পথসভা শেষে সার্কিট হাউসে ফেরার পথে সারজিস আলম, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীসহ এনসিপির নেতাদের গাড়িবহরে হামলা হয়। তারা সোনালী ব্যাংকের প্রধান শাখায় আশ্রয় নিলে পুলিশ তাদের উদ্ধার করে।
এ ঘটনায় এনসিপির পক্ষ থেকে ১১ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতপরিচয় আরও ১০০ জনকে আসামি করে মামলা করা হয়।
অন্যদিকে একই ঘটনায় এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক সারজিস আলম ও নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে ছাত্রদলের পক্ষ থেকে পাল্টা মামলার আবেদন করা হয়েছে। তবে শনিবার পর্যন্ত সেটি মামলা হিসেবে রেকর্ড হয়নি।
আইটি ল্যাব সলিউশন্স লি.