মিরপুরের ইসিবি চত্বরের পাশে অবস্থিত নিউগিনি হাউজিং প্রোজেক্টে থাকা স্টুডিওতে হামলার পর প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন কন্টেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদির। তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি বলেন, আমি থামবো না। আমাকে কেউ কোনোভাবে থামাতে পারবে না।
এর আগে শনিবার রাত ১০টার দিকে তার প্রতিষ্ঠান ব্রাউনফিস স্টুডিওতে হামলার ঘটনা ঘটে।
তিনি এ সময় জানান, আমি আমার ক্রিয়েটিভিটি চালিয়ে যাব, নতুন কোনো কন্টেন্ট থাকলে করব। ক্লায়েন্টদের কাজ করব। হয়তো সুন্দর করে গোছানোভাবে করতে পারব না। কিন্তু আমি থেমে থাকব না। আমি আমার ফ্যাশন চালিয়ে যাব। দেশ থেকে না হলেও দেশের বাইরে থেকে চালিয়ে যাব।
আরেক লাইভ ভিডিওতে তার স্টুডিওতে ভাঙচুরের অবস্থার চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, দেখেন, এটা ভাঙচুর। এটা হচ্ছে পুরোপুরি রবারি, চাঁদাবাজি, ডেস্ট্রাকশন। বাংলাদেশের কমন ইয়ে তো। বেকারত্ব যখন আপনি দূর করতে পারবেন না, যখন আপনার ল অ্যান্ড অর্ডার থাকবে না, এটাই এন্ড রেজাল্ট।
লাকিলি, আমার পক্ষে এটা কোপআপ করা সম্ভব। আমি সবসময় নিজের দমে কাজ করে আসছি। সেম জিনিসটা আমি করব। আমাকে এটা ভাঙতে পারবে না। দ্যাটস ফার্স্ট থিং। বাট টেনশন হচ্ছে যে, আমার মতো এরকম মনোবল নিয়ে কয়জন আগাইতে পারবে? বিকজ, আপনাদের যদি কারও এরকম একটা নিউজ চ্যানেল থাকত বা কোনো একটা স্টুডিও থাকত বা কোনো কাজের জায়গা থাকত, এটা হলো আপনাদের সর্বহারা হয়ে আসলে মনটা খারাপ করার বিষয়।
আমার কাছে ওটা খারাপ লাগছে যে বাংলাদেশের মানুষ কোথাও সেফ না। আমার জন্য ইজি এটাকে কোপআপ করে রাখা, বিকজ আমি অনেক বেশি স্ট্রং অ্যান্ড কনফিডেন্ট। বাট এটা যেন অন্য কারও সঙ্গে হলে তারা কীভাবে কোপ করত, আমি জানি না। বাট করে অনেক মানুষের সঙ্গে এটা হয়। অনেক মানুষ এখানে কষ্ট পায়। তাদের কাছে এরকম মাইক-ক্যামেরা আসে না আসলে। বাট দেন, ইটস ওকে। আমার জন্য কোনো প্রবলেম নাই।
এক সময় মুক্তাদীর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে বলেন, বাট আমার মনে হয়েছে যে, আমাদের যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আছেন, উনি অবশ্যই এগুলোর ভিডিও প্রায় দেখেন। উনাকে যদি কিছু বলা হয়, আমি জানি না উনি কত স্বীকার করেন কি না। বাট উনার প্রতি আমার আসলে কোনো গ্রাজ বা রাগ নাই, কোনো কমপ্লেন নাই, কোনো চাহিদা নাই।
আই থিংক, ইজ ডুইং হোয়াট ইজ সাপোজড টু ডু। বিএনপির একজন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে বা দেশের একজন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে উনার যা করার কথা, উনি ভালো করেই জানেন। আর উনি কতদূর করছেন, সেটা অবশ্য আমরা দেখতে পারি সবাই। এটা তো আমার বলার কেউ না। আপনারা আছেন, দেশবাসী আছেন। তারা এই কমেন্টে বলে দিতে পারবে যে উনি কত ভালো কাজ করছেন। আর আমার মুখ থেকে আসলে বলার মতো আর কিছু নেই। বাট ইটস ওকে। ইটস গট গন।
কেন এই হামলার ঘটনা ঘটেছে, তার ব্যাখ্যা করতে গিয়ে সালমান মুক্তাদির বলেন, আমি ভাবছিল আমার প্রতি শত্রুতা। কিন্তু পুরো প্রজেক্টেই হামলা করছে। তাই প্রজেক্ট রিলেটেড কিছু হইছে এতটুকু আমি শিওর। পুরো প্রজেক্টেই হামলা করছে ওরা
আইটি ল্যাব সলিউশন্স লি.