প্রকাশ: ১০ ডিসেম্বর ২০২৫ ১৯:০৬
টমি মিয়ার চরিত্রে অভিনয় করছেন তরুণ অভিনেতা সাজ্জাদ হোসেন। চরিত্রটির ঘোষণা আসার পর থেকেই জাতীয় টিভি চ্যানেল ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মে শুরু হয়েছে আলোচনা।মাত্র ১০ বছর বয়সে সিলেট থেকে বাবা-মায়ের সঙ্গে ব্রিটেনে পাড়ি জমান টমি মিয়া। স্কুলজীবনে একটি রেস্তোরাঁয় থালা-বাসন ধোয়ার কাজ দিয়ে তাঁর কর্মজীবনের শুরু। সেখানেই রান্নার প্রতি ঝোঁক তৈরি হয় এবং সিদ্ধান্ত নেন এটিকেই করবেন পেশা। শুরুটা ছিল কঠিন, কিন্তু পরবর্তীতে তাঁর হাতে তৈরি খাবার ছড়িয়ে পড়ে বিশ্বের নানা দেশে, তিনি হয়ে ওঠেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন শেফ ও ব্রিটিশ-বাংলাদেশি রন্ধনশিল্পের আইকন।বাংলাদেশি শেফ তৈরিতেও ভূমিকা রেখেছেন তিনি। ঢাকা, সিলেটসহ বিভিন্ন জায়গায় তাঁর প্রতিষ্ঠিত টমি মিয়াস হসপিটালিটি ইনস্টিটিউট থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে তৈরি হয়েছেন অসংখ্য।নিজের বায়োপিক প্রসঙ্গে টমি মিয়া বলেন, ‘আমার শূন্য থেকে আজকের অবস্থানে আসার গল্প বড় পর্দায় ফুটে উঠছে—এটা আমার জীবনের গর্বের মুহূর্ত। সাজ্জাদকে চরিত্রে নেওয়া হয়েছে জেনে আমি আনন্দিত। সে নিষ্ঠার সঙ্গে প্রস্তুতি নিচ্ছে, আমি তার ওপর পুরো ভরসা রাখছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশি খাবারকে বিশ্বে পরিচিত করা ছিল আমার আজীবনের মিশন। আশা করি এ চলচ্চিত্র দেশকে আরও গর্বিত করবে।’
চরিত্রটি নিয়ে উচ্ছ্বসিত সাজ্জাদ হোসেন বলেন, ‘টমি মিয়া স্যার শুধু একজন শেফ নন; তিনি একটি ব্র্যান্ড, একটি ইতিহাস। তাঁর চরিত্রে অভিনয় করা আমার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় সম্মান।’
অভিনয়ে নামার আগে সাজ্জাদ নিজেও কাজ করেছেন একজন শেফ হিসেবে। ২০০৭ সালে টমি মিয়াস ইনস্টিটিউট থেকেই রন্ধনশিল্পে প্রশিক্ষণ নেন তিনি। পরে লন্ডনের বিভিন্ন রেস্তোরাঁয় কাজ করেন শেফ হিসেবে। অভিনয়ে আসলেও টমি মিয়ার সঙ্গে তাঁর সেই পুরোনো পরিচয় এবার কাজে লাগছে বায়োপিকে।
সিনেমার শুটিং হবে ঢাকা, সিলেট, লন্ডন ও এডিনবরায়। যেসব শহরে টমি মিয়ার জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সময় কেটেছে। আন্তর্জাতিক মানের প্রযুক্তি ও বিশেষজ্ঞরা যুক্ত হয়েছেন প্রজেক্টটিতে। ঘোষণার পর থেকেই দেশ-বিদেশের দর্শকদের মধ্যে এরই মধ্যে তৈরি হয়েছে আগ্রহ। সবাই অপেক্ষায়, বড় পর্দায় কেমন ফুটে ওঠে ‘কারি কিং’ টমি মিয়ার অসাধারণ জীবনগাথা।
সিলেট থেকে আরো পড়ুন