ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করছেন, ভারতের পেট্রাপোল বন্দরে পণ্যের মান নির্ণয়কে কেন্দ্র করে তৈরি করা নানা জটিলতার কারণেই রপ্তানি ব্যাহত হচ্ছে। দ্রুত সমস্যা সমাধান না হলে বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়তে হবে বলে সতর্ক করেছেন তারা।
বাংলাদেশ বিশ্বে সুপারি উৎপাদনে দ্বিতীয় এবং গুণগত মানে ভারতের বাজারে এর চাহিদা দীর্ঘদিন ধরে উচ্চ। প্রতিবছর প্রায় ৭০০ কোটি টাকার সুপারি শুধু ভারতেই রপ্তানি হয়। ২০২৪–২৫ অর্থবছরে ভারতের সুপারি আমদানিতে বাংলাদেশের অংশীদারিত্ব বেড়ে হয়েছে ৩৭ শতাংশ, যা আগের বছরের তুলনায় প্রায় চার গুণ।বেনাপোল স্থলবন্দরের পরিচালক (ট্রাফিক) মো. শামীম হোসেন বলেন, “অচলাবস্থায় বেনাপোলে প্রায় ১০০ কোটি টাকার দেড় শতাধিক সুপারির ট্রাক আটকে আছে। প্রতিদিন রপ্তানিকারকদের তিন লাখ টাকা ক্ষতি হচ্ছে।”এ বিষয়ে বন্দর সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা ভিন্ন ব্যাখ্যা দেন। উদ্ভিদ সঙ্গনিরোধ কেন্দ্রের উপ-পরিচালক আবু তালহা জানান, চলতি অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাসে বেনাপোল দিয়ে ১০ হাজার ৬৫০ টন সুপারি ভারত গিয়েছে। তাঁর মতে, যে সমস্যা নিয়ে ট্রাক আটকে রয়েছে সেটা ব্যবসায়ীদের অভ্যন্তরীণ বিষয়। “কাগজপত্র ঠিক থাকলে আমাদের কাছে যেসব ট্রাক আসে, সেগুলো নিষ্কণ্টকভাবে ভারতের উদ্দেশ্যে ছাড় দেওয়া হচ্ছে,” বলেন তিনি।
অর্থনীতি থেকে আরো পড়ুন