সিলেট

আরিফ–মুক্তাদির আলোচনায় নতুন করে

প্রকাশ: ০৮ অক্টোবর ২০২৫ ২০:১৪

সিলেট বিএনপির রাজনীতিতে ফের আলোচনায় উঠে এসেছেন দুই শীর্ষ নেতা—আরিফুল হক চৌধুরী ও খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতিতে প্রভাবশালী এই দুই নেতার চলাফেরা ও অবস্থান এখন নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে দলের ভেতরে এবং বাইরে।

দলীয় সূত্র জানায়, সিলেট-১ আসন ও সিটি করপোরেশন ঘিরে বর্তমানে দুই নেতার রাজনৈতিক কৌশল ভিন্নধর্মী। সাবেক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী একদিকে সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র পদে আবারও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চান, অন্যদিকে দলের কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করে সিলেট-১ আসনেও আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।

অপরদিকে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির পুরোপুরি মনোযোগ দিচ্ছেন সিলেট-১ আসনকে ঘিরে। গত কয়েক মাস ধরেই তিনি মাঠে সক্রিয় রয়েছেন এবং স্থানীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন। দলের নীতিনির্ধারক মহলও তার এই প্রস্তুতি ও সাংগঠনিক তৎপরতার প্রশংসা করছে বলে জানা গেছে।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, আরিফুল হক চৌধুরী সিলেট শহরে জনপ্রিয় ও অভিজ্ঞ রাজনীতিক হিসেবে পরিচিত, অন্যদিকে মুক্তাদির পরিবারের রাজনৈতিক ঐতিহ্য এবং কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের ঘনিষ্ঠতা তাকে শক্ত অবস্থানে রেখেছে। এই দুই নেতার সমান্তরাল অবস্থান বিএনপির আগামী প্রার্থী নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।

দলের ভেতরে যদিও প্রকাশ্যে কোনো দ্বন্দ্ব দেখা যায়নি, তবে মাঠের রাজনীতিতে কে হবেন সিলেট বিএনপির মুখ—তা নিয়ে তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে নানা আলোচনা চলছে। কেন্দ্রীয় বিএনপির নেতারা বিষয়টি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

স্থানীয় এক রাজনৈতিক বিশ্লেষকের ভাষায়, “সিলেট বিএনপির রাজনীতি সবসময়ই ব্যক্তিভিত্তিক প্রভাবের ওপর দাঁড়িয়ে। এখন সেই প্রভাব দুই বলয়ে ভাগ হচ্ছে—একপাশে আরিফ, অন্যপাশে মুক্তাদির।”

সবশেষে বলা যায়, সিলেটের বিএনপি রাজনীতিতে আবারও কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন এই দুই নেতা। তাদের অবস্থান, সিদ্ধান্ত ও সমঝোতাই নির্ধারণ করবে আগামী নির্বাচনে বিএনপির কৌশল—সেটিই এখন সিলেটের রাজনীতিতে নতুন আলোচনার বিষয়।

সিলেট থেকে আরো পড়ুন


বিজ্ঞাপন