২০২৬ বিশ্বকাপ ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে অংশগ্রহণকারী দলগুলোর জন্য সুখবর নিয়ে আসছে ফিফা। গত ২৮ এপ্রিল (মঙ্গলবার) কানাডার ভ্যাঙ্কুভারে অনুষ্ঠিত ফিফা কাউন্সিলের সভায় ৪৮টি দেশের জন্য আর্থিক অনুদান বাড়ানোর প্রস্তাব তোলা হয়েছে। উত্তর আমেরিকায় যাতায়াত ও আবাসন খরচ বেড়ে যাওয়ার বিষয়টি মাথায় রেখেই মূলত এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
২০২৫ সালের ডিসেম্বরে ফিফা জানিয়েছিল যে, বিশ্বকাপের মোট প্রাইজমানি হবে ৭২৭ মিলিয়ন ডলার। যেখানে অংশগ্রহণকারী প্রতিটি দল অন্তত ১০.৫ মিলিয়ন ডলার এবং চ্যাম্পিয়ন দল ৫০ মিলিয়ন ডলার পাবে। বর্তমান প্রস্তাবটি পাস হলে এই অংকের পরিমাণ আরও বাড়বে। আগামী ৩০ এপ্রিল ভ্যাঙ্কুভারে অনুষ্ঠেয় ফিফা কংগ্রেসে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানা যাবে।
ইউরোপীয় ফুটবল সংস্থা উয়েফার পক্ষ থেকে একটি উদ্বেগ ছিল যে, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোতে টুর্নামেন্ট চলাকালীন যাতায়াত, অপারেশনাল খরচ এবং ট্যাক্স আগের আসরগুলোর তুলনায় অনেক বেশি। অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর ওপর থেকে এই আর্থিক চাপ কমাতেই ফিফা তহবিল বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে।
ফিফা জানিয়েছে, ২০২৩ থেকে ২০২৬ সালের এই চার বছরের চক্রে তাদের আয় ১১ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে। এই বিশাল আয়ের কারণেই তারা দলগুলোকে বাড়তি অর্থ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এছাড়া মায়ামিতে অবস্থিত ফিফার সদর দপ্তর থেকে অপারেশনাল বাজেটে প্রায় ১০০ মিলিয়ন ডলার সাশ্রয় করা হয়েছে, যা প্রাইজমানি বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে।
এক নজরে ২০২৬ বিশ্বকাপের সম্ভাব্য আর্থিক চিত্র:
পুরানো প্রাইজমানি পুল: ৭২৭ মিলিয়ন ডলার (এখন এটি আরও বাড়বে)।
অংশগ্রহণকারী দেশের সংখ্যা: ৪৮টি।
সব দলের জন্য ন্যূনতম অর্থ: ১০.৫ মিলিয়ন ডলার (বাড়ানোর প্রস্তাবিত)।
চ্যাম্পিয়ন দলের পুরস্কার: ৫০ মিলিয়ন ডলার (বাড়ানোর প্রস্তাবিত)।
টুর্নামেন্টের সময়কাল: ১১ জুন থেকে ১৯ জুলাই, ২০২৬।
খেলাধুলা থেকে আরো পড়ুন