পাইকারি বিদ্যুতের দাম ইউনিটপ্রতি দেড় টাকা বা ২১ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি)।
বুধবার (২০ মে) সকালে রাজধানীর কেআইবি মিলনায়তনে বিদ্যুতের পাইকারি, সঞ্চালন ও খুচরা মূল্যহার পুনর্র্নিধারণের গণশুনানিতে এই প্রস্তাব করা হয়।
গণশুনানিটির আয়োজন করে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।
প্রস্তাবনা অনুযায়ী, আবাসিক গ্রাহকদের ইউনিটপ্রতি বিদ্যুতের গড় দাম ৭ টাকা ২০ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৮ টাকা ৬৫ পয়সা করার সুপারিশ করা হয়েছে।
যদিও গণশুনানিতে অংশ নেওয়াদের অধিকাংশ দেশের এই সঙ্কটকালে বিদ্যুতের দাম না বাড়াতে বিইআরসিকে সতর্ক করেন।
শুনানিতে পিডিবির প্রধান প্রকৌশলী মো. রেজাউল করিম বলেন, চলতি অর্থবছরে ৬২ হাজার কোটি টাকা ও আগামী অর্থবছরে ৬৫ হাজার কোটি টাকার সম্ভাব্য ঘাটতি রয়েছে। দাম না বাড়ালে মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বিদ্যুৎ খাত।
গণশুনানিতে বিদ্যুৎ খাত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, ব্যবসায়ী প্রতিনিধি, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
শুনানিতে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর পক্ষে ও বিপক্ষে বিভিন্ন যুক্তি উপস্থাপন করা হয়। এতে বিইআরসি চেয়ারম্যান জালাল আহমেদসহ কমিশনের অন্যান্য সদস্য উপস্থিত ছিলেন।
তারা বলেন, বিদ্যুৎ খাতের লুটপাটের দায় গ্রাহকের কাঁধে চাপানো হচ্ছে। তাই উল্টো দাম কমাতে শুনানি করা উচিত।
শুনানিতে অংশীজনরা বলেন, নিত্যপণ্যের বাড়তি ব্যয়ের মধ্যে বিদ্যুতের দাম বাড়ার প্রভাব পড়বে বহুমুখী। উৎপাদন খাতেও পিছিয়ে পড়বেন উদ্যোক্তারা।
এদিকে বিইআসি জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার (২১ মে) গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর আবেদনের ওপর গণশুনানি হবে।
এর আগে সবশেষ ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়। তখন খুচরায় ৮ দশমিক ৫ শতাংশ এবং পাইকারিতে ৫ শতাংশ দাম বাড়ানো হয়েছিল।
জাতীয় থেকে আরো পড়ুন